cbajo-র ভিআইপি সদস্যরা পান এক্সক্লুসিভ ক্যাশব্যাক, দ্রুততম পেমেন্ট, ব্যক্তিগত অ্যাকাউন্ট ম্যানেজার ও অনেক বিশেষ সুবিধা – যা সাধারণ সদস্যরা পান না।
cbajo-তে চারটি ভিআইপি স্তর রয়েছে। আপনার খেলার পরিমাণের ওপর ভিত্তি করে স্তর নির্ধারিত হয়।
প্রতিটি স্তরে ঠিক কোন কোন সুবিধা পাবেন তা এক নজরে দেখুন
| সুবিধা | 🥈 Silver | 🏅 Gold | 💜 Platinum | 💎 Diamond |
|---|---|---|---|---|
| সাপ্তাহিক ক্যাশব্যাক | ৫% | ৮% | ১২% | ১৮% |
| ফ্রি বেট (মাসিক) | ১টি | ৩টি | আনলিমিটেড | কাস্টম |
| ব্যক্তিগত ম্যানেজার | ||||
| ইন্সট্যান্ট উইথড্রল | ||||
| এক্সক্লুসিভ টুর্নামেন্ট | ||||
| অডস বুস্ট | ||||
| ২৪/৭ ভিআইপি সাপোর্ট | ||||
| জন্মদিন বোনাস | ||||
| উপহার ও পুরস্কার |
শুধু বোনাস নয়, cbajo ভিআইপি মানে একটি সম্পূর্ণ আলাদা গেমিং অভিজ্ঞতা
অনলাইন গেমিং প্ল্যাটফর্মে "ভিআইপি" শব্দটা অনেক জায়গায় দেখা যায়, কিন্তু cbajo-র ভিআইপি প্রোগ্রামটা আসলেই আলাদা কিছু। এটা শুধু একটা লেবেল না – এটা এমন একটা ব্যবস্থা যেখানে আপনার প্রতিটি বেট, প্রতিটি ডিপোজিট আপনাকে আরও বেশি সুবিধার দিকে এগিয়ে নিয়ে যায়। বাংলাদেশের গেমারদের কথা মাথায় রেখে cbajo এই প্রোগ্রামটা ডিজাইন করেছে, তাই প্রতিটি সুবিধা আমাদের দেশের বাস্তবতার সাথে মানানসই।
সাধারণ সদস্যরা যা পান, ভিআইপি সদস্যরা তার চেয়ে অনেক বেশি পান – এটুকু বলাই যথেষ্ট নয়। বরং বলতে হবে, ভিআইপি হওয়ার পর গেমিং অভিজ্ঞতাটাই বদলে যায়। উইথড্রলের জন্য আর অপেক্ষা করতে হয় না, বোনাসের জন্য আবেদন করতে হয় না, সাপোর্টে ঘণ্টার পর ঘণ্টা অপেক্ষা করতে হয় না। সব কিছু যেন আপনার জন্যই সাজানো থাকে।
cbajo-র ভিআইপি স্তর নির্ধারিত হয় আপনার মাসিক ডিপোজিটের ওপর ভিত্তি করে। মাত্র ৳ ৫,০০০ মাসিক ডিপোজিট করলেই সিলভার স্তরে উঠে আসা যায়। এরপর ধাপে ধাপে গোল্ড, প্লাটিনাম এবং সর্বোচ্চ ডায়মন্ড স্তর পর্যন্ত যাওয়া সম্ভব। স্তর নির্ধারণের হিসাব প্রতি মাসের ১ তারিখে আপডেট হয়, তাই আপনি যদি এক মাসে অনেক বেশি খেলেন তাহলে পরের মাস থেকেই উন্নত স্তরের সুবিধা পাবেন।
গুরুত্বপূর্ণ একটা বিষয় হলো – cbajo কখনো স্তর ধরে রাখার জন্য অতিরিক্ত চাপ দেয় না। যদি কোনো মাসে কম খেলেন, স্তর কমে গেলেও আগের অর্জিত পয়েন্ট বা বোনাস হারিয়ে যায় না। এটা একটা ফেয়ার সিস্টেম যেখানে আপনার সুবিধাই প্রাধান্য পায়।
সিলভার স্তরটা মূলত নতুনদের জন্য একটা সূচনা। এখানেও ৫% ক্যাশব্যাক এবং মাসিক একটি ফ্রি বেট পাওয়া যায়, যা সাধারণ সদস্যরা পান না। গোল্ড স্তরে এলে সুবিধার পরিধি বাড়ে – বিশেষ করে ডেডিকেটেড চ্যাট সাপোর্ট এবং এক্সক্লুসিভ টুর্নামেন্ট অ্যাক্সেস পাওয়া যায়।
প্লাটিনাম স্তর হলো যেখানে cbajo সত্যিকারের প্রিমিয়াম সেবা শুরু হয়। এখান থেকেই ব্যক্তিগত অ্যাকাউন্ট ম্যানেজার পাওয়া যায় যিনি আপনার সব সমস্যার সমাধান করবেন। ইন্সট্যান্ট উইথড্রল মানে জেতার পর এক মিনিটের মধ্যে টাকা আপনার বিকাশ বা নগদে চলে আসে। আর অডস বুস্ট মানে একই ম্যাচে আপনি সাধারণ সদস্যদের চেয়ে বেশি জিতবেন।
ডায়মন্ড স্তরটা cbajo-র সর্বোচ্চ পুরস্কার। যারা নিয়মিত এবং উল্লেখযোগ্য পরিমাণে খেলেন তাদের জন্য এই স্তর। ১৮% ক্যাশব্যাক, ৩০ সেকেন্ডে উইথড্রল, ২৪/৭ ভিআইপি হটলাইন এবং বিশেষ উপহার – এই স্তরে পৌঁছানো মানেই cbajo-র সেরা অভিজ্ঞতা পাওয়া।
অনেকের মনে প্রশ্ন থাকে – ক্যাশব্যাক মানে কি শুধু জেতার টাকার একটা অংশ? না, cbajo-র ক্যাশব্যাক সিস্টেম আরও বেশি সুবিধাজনক। প্রতি সপ্তাহে আপনার মোট নেট লস (অর্থাৎ হারানো টাকার পরিমাণ) থেকে একটি নির্দিষ্ট শতাংশ আপনার ওয়ালেটে ফিরে আসে। তার মানে হারলেও কিছুটা ফিরে পাওয়া যায়।
উদাহরণ হিসেবে বলা যাক, আপনি একজন প্লাটিনাম সদস্য এবং সপ্তাহে ৳ ১০,০০০ হেরেছেন। ১২% ক্যাশব্যাক মানে ৳ ১,২০০ সরাসরি আপনার cbajo ওয়ালেটে চলে আসবে। এই টাকা দিয়ে আবার বেট করা যাবে বা উইথড্রল করা যাবে – কোনো ঝামেলা নেই, কোনো শর্ত নেই।
প্রতিটি বেটের সাথে ভিআইপি পয়েন্ট জমা হয়। এই পয়েন্ট দিয়ে ফ্রি বেট, বোনাস ক্রেডিট বা বিশেষ পুরস্কার রিডিম করা যায়। পয়েন্টের মেয়াদ ৬ মাস, তাই জমিয়ে রেখে বড় পুরস্কার নেওয়া যায়। cbajo-র অ্যাকাউন্ট ড্যাশবোর্ডে সব সময় আপনার পয়েন্ট ব্যালেন্স দেখা যায়।
বাংলাদেশে মোবাইল ব্যাংকিং এখন জীবনের অংশ। cbajo সেটা বুঝেছে এবং ভিআইপি সদস্যদের জন্য পেমেন্ট সিস্টেমকে আরও সহজ ও দ্রুত করেছে। সিলভার সদস্যরা সাধারণ ৫ মিনিটের উইথড্রলের পরিবর্তে ২ মিনিটে টাকা পান। গোল্ড থেকে সময় কমে ১ মিনিটে আসে। প্লাটিনাম ও ডায়মন্ড সদস্যদের ক্ষেত্রে উইথড্রল প্রায় তাৎক্ষণিক।
এছাড়া ভিআইপি সদস্যদের ডিপোজিট ও উইথড্রলের লিমিট সাধারণ সদস্যদের চেয়ে বেশি। যারা বড় পরিমাণে বেট করেন তাদের জন্য এই সুবিধাটা খুবই গুরুত্বপূর্ণ।
cbajo বিশ্বাস করে ভালো সাপোর্টই একটি প্ল্যাটফর্মকে আলাদা করে। ভিআইপি সদস্যদের জন্য আলাদা সাপোর্ট চ্যানেল আছে যেখানে সাড়া দেওয়ার সময় অনেক কম। গোল্ড সদস্যরা ডেডিকেটেড লাইভ চ্যাটে সরাসরি সংযুক্ত হতে পারেন। প্লাটিনাম থেকে ব্যক্তিগত ম্যানেজার ফোনে বা হোয়াটসঅ্যাপে যোগাযোগ করা যায়। ডায়মন্ড সদস্যদের জন্য ২৪/৭ হটলাইন সার্ভিস সবচেয়ে প্রিমিয়াম অভিজ্ঞতা নিশ্চিত করে।
মাত্র কয়েকটি ধাপে cbajo ভিআইপি প্রোগ্রামে যোগ দেওয়া যায়
cbajo ভিআইপি নিয়ে সদস্যরা কী বলছেন
ভিআইপি প্রোগ্রাম সম্পর্কে যা জানতে চান
নিবন্ধন করুন, ডিপোজিট করুন এবং cbajo-র প্রিমিয়াম ভিআইপি অভিজ্ঞতা উপভোগ শুরু করুন। প্রথম মাসেই ডাবল ক্যাশব্যাক পাওয়ার সুযোগ মিস করবেন না।